সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ। স্বর্গ হতে বহিস্কৃত হয়ে আদম এই বিশ্ব প্রকৃতিকে কেমন দেখেছিলেন জানি না তবে অবাক বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। চারিদিকে সুন্দর আরে সুন্দরের সমারোহ। বৈচিত্র্যে ভরপুর। তারপর দেখা পেলেন হাওয়ার । হৃদয় মন আত্মা তার নেচে উঠেছিল আনন্দে। তার হৃদয় নিঃসৃত শব্দ কালি – কলমে লেখা না হলেও , সেই আনন্দ নিঃসৃত বাক্যই সাহিত্য। সৌন্দর্য্য মিশ্রিত শব্দ বলেই সেটি সাহিত্য। ঐ সৌন্দর্য্য মিশ্রনই শিল্প। সেদিক থেকে কথাশিল্পী একজন সাহিত্যিক।
শিল্পবোধের স্থান
মানুষের মনে। রসবোধ না থাকলে শিল্প সৃষ্টি হয় না।
ভাবনাকে ব্যক্তি থেকে
সমষ্টিতে সঞ্চারিত করাই সাহিত্য চর্চা। মানুষ মাত্রেই পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সুখ
ও সৌন্দর্য্যের অনুভূতির পরশ পায়। সেই অনুভূতির প্রকাশ করবার অভিলাষ তাদের আছে।
কেউ কেউ অনায়াসে মনের ভাব সৌন্দর্য্য রসে জারিত করে প্রকাশ করে। অনেকেই সাধনা করে
হৃদয়ের শিল্পমন্ডিত ভাব প্রকাশ করে । আমরা পাঠকগন সেই সব বাক্য বা সাহিত্য পাঠ
করে আমাদের অন্তরের না বলা কথার বহিঃপ্রকাশ
দেখে আনন্দ লাভকরি। নিজেকে নির্ভার মনে
করি।
‘হৃদয়ের কথা বলিতে
ব্যাকুল, শুধাইলো না কেহ’। না শুধালেও আমরা সাহিত্যের মাধ্যমে সেই শৈল্পিক রসবোধের
আস্বাদ পাই – তখন নিজেকে ধন্য মনে করি।
মনে করি যা বলতে
চেয়েছিলাম, তা এই সাহিত্যের মাধ্যমে ব্যক্ত হয়েছে।
সাহিত্য বিশ্বের তাবৎ
বিষয় নিয়ে লিখিত হয়। মানুষের জীবন বোধকে জাগ্রত করে। জীবনের মানকে উন্নত করে।
মানুষকে অন্ধকার হতে আলোতে আনয়ন করে। তার জীবনকে ভালবাসার এবং ভাললাগার অংগনে নিয়ে
যায়। জীবনে পুলক অনুভব করে আনন্দ পায় এবং অন্যকে সেই আনন্দ বিলিয়ে, নিজেকে
পরিবারকে, সমাজকে সুখী ও কলষমুক্ত রাখে। সেই জন্য সাহিত্য চর্চার মূল্য বা দান
অপরিসীম।
সাহিত্য একটি শিল্প।
শিল্পবোধ জাগার ফলে মানুষের জীবন ছন্দময় হয়ে ওঠে। সাহিত্য সাধনায় সিদ্ধিলাভ করে
মানুষ নব নব সৃষ্টির প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়।
তখন সে উপলব্ধি করতে পারে, ‘নাল্পে সুখনাস্তি’ – অল্পে সুখ নাই।
সাহিত্য চর্চা মানুষের
নিত্যদিনের সংগী হোক । রাওয়া উদ্যোগে এই সাহিত্য সভা আরো সুন্দর হোক। সাহিত্য পাঠ
করে জীবন আনন্দময় হোক - এই কামনা করি।
০০০০০০০০
সাহিত্য একটি শিল্প। শিল্পবোধের
স্থান মানুষের মনে। রসবোধ না থাকলে শিল্প সৃষ্টি হয় না। শিল্পবোধ জাগার ফলে
মানুষের জীবন ছন্দময় হয়ে ওঠে। সাহিত্য সাধনায় সিদ্ধিলাভ করে মানুষ নব নব সৃষ্টির
প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়। তখন সে উপলব্ধি করতে পারে, ‘নাল্পে সুখনাস্তি’ – অল্পে সুখ
নাই।
ভাবনাকে ব্যক্তি থেকে
সমষ্টিতে সঞ্চারিত করাই সাহিত্য চর্চা।
মানুষ মাত্রেই পঞ্চ
ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সুখ ও সৌন্দর্য্যের অনুভূতির পরশ পায়। সেই অনুভূতির প্রকাশ
করবার অভিলাষ তাদের আছে। কেউ কেউ অনায়াসে মনের ভাব সৌন্দর্য্য রসে জারিত করে
প্রকাশ করে। অনেকেই সাধনা করে হৃদয়ের শিল্পমন্ডিত ভাব প্রকাশ করে ।
আমরা পাঠকগন সেই সব বাক্য
বা সাহিত্য পাঠ করে আমাদের অন্তরের না বলা
কথার বহিঃপ্রকাশ দেখে আনন্দ লাভকরি।
নিজেকে নির্ভার মনে করি।
সাহিত্য বিশ্বের তাবৎ
বিষয় নিয়ে লিখিত হয়। মানুষের জীবন বোধকে জাগ্রত করে। জীবনের মানকে উন্নত করে।
মানুষকে অন্ধকার হতে আলোতে আনয়ন করে। তার জীবনকে ভালবাসার এবং ভাললাগার অংগনে নিয়ে
যায়। জীবনে পুলক অনুভব করে আনন্দ পায় এবং অন্যকে সেই আনন্দ বিলিয়ে, নিজেকে
পরিবারকে, সমাজকে সুখী ও কলুষমুক্ত রাখে। সেই জন্য সাহিত্য চর্চার মূল্য অপরিসীম।
সাহিত্য চর্চা মানুষের
নিত্যদিনের সংগী হোক । রাওয়া উদ্যোগে এই সাহিত্য সভা আরো সুন্দর হোক।
সাহিত্য পাঠ করে জীবন
আনন্দময় হোক - এই কামনা করি। ধন্যবাদ।
0000000000000000000
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ। স্বর্গ হতে বহিস্কৃত হয়ে আদম
এই বিশ্ব প্রকৃতিকে কেমন দেখেছিলেন জানি
না তবে অবাক বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলেন তাতে
কোন সন্দেহ নেই। চারিদিকে সুন্দর আরে সুন্দরের সমারোহ। বৈচিত্র্যে ভরপুর।
তারপর দেখা পেলেন হাওয়ার । হৃদয় মন আত্মা তার নেচে উঠেছিল আনন্দে। তার হৃদয় নিঃসৃত সেই শব্দ এই শূন্য
পৃথিবীতে বলাকার গতির ঝংকারের মতো দিক
থেকে দিগন্তে ছড়িয়ে পড়েছিল। এই শব্দতরংগ ভাষা না হলেও , কালি কলমে লেখা না হলেও,
তাই –ই সুর, তাই –ই আনন্দ, শিল্প এবং সাহিত্য । সেই সুরের ধ্বনি একদিন ভাষায় রূপ
নেয়।
অযুত বরষের পরে আমরা মানুষেরা নানান ভাষায় কথা বলি, গান
গাই, অলংকৃত করে সাহিত্যে রূপ দান করি।
সাহিত্য কেবল
কথার সৌন্দর্য্য সৃষ্টি করা নয়, নান্দনিকতাই নয়, মানুষের জীবনবোধকে উপলব্ধি করা
তার বিশেষ একটি দিক। সাহিত্যের প্রধান কাজ মানুষের আত্মাকে অজ্ঞানতার অন্ধকার হতে
বাইরে বের করে আনা, তার উপলব্ধিকে জাগ্রত করা, ভালমন্দের সাথে তাকে পরিচয় করিয়ে
দেওয়া। মানুষকে সুন্দর এবং শান্তির স্বপ্ন দেখানো।
আজকের বিশ্ব যখন হতাশা, অস্থিরতা, অন্যায়, অবিচারে
অশান্ত, তখন সাহিত্য মানুষকে পথ দেখায়।
মানুষের এই স্বপ্ন শান্তির পক্ষে, সুন্দরের পক্ষে, অসুন্দর এবং বিনাশের বিপক্ষে।
মানুষের অন্তর যখন দুঃখে কষ্টে বিষাদে ম্রিয়মান হয় তখন
মানুষ আশ্রয় খোঁজে সাহিত্যে, সংগীতে এবং কবিতায়। সৌন্দর্য্য মিশ্রিত শব্দ বলেই
সেটি সাহিত্য। ঐ সৌন্দর্য্য মিশ্রনই শিল্প। সেদিক থেকে কথাশিল্পী একজন সাহিত্যিক।
শিল্পবোধের স্থান মানুষের মনে। রসবোধ না থাকলে শিল্প
সৃষ্টি হয় না। ভাবনাকে ব্যক্তি থেকে সমষ্টিতে সঞ্চারিত করাই সাহিত্য চর্চা। মানুষ
মাত্রেই পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সুখ ও সৌন্দর্য্যের অনুভূতির পরশ পায়। সেই
অনুভূতির প্রকাশ করবার অভিলাষ তাদের আছে। কেউ কেউ অনায়াসে মনের ভাব সৌন্দর্য্য রসে
জারিত করে প্রকাশ করে। অনেকেই সাধনা করে হৃদয়ের শিল্পমন্ডিত ভাব প্রকাশ করেন ।
আমরা পাঠকগন, সেই সব বাক্য বা সাহিত্য পাঠ করে
আমাদের অন্তরের না বলা কথার বহিঃপ্রকাশ দেখে আনন্দ লাভকরি। নিজেকে নির্ভার মনে করি।
‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইলো না কেহ’। না শুধালেও
আমরা সাহিত্যের মাধ্যমে সেই শৈল্পিক রসবোধের আস্বাদ পাই – তখন নিজেকে ধন্য মনে
করি।
মনে করি যা বলতে চেয়েছিলাম, তা এই সাহিত্যের মাধ্যমে
ব্যক্ত হয়েছে।
সাহিত্য বিশ্বের তাবৎ বিষয় নিয়ে লিখিত হয়। মানুষের জীবন
বোধকে জাগ্রত করে। জীবনের মানকে উন্নত করে। মানুষকে অন্ধকার হতে আলোতে আনয়ন করে।
তার জীবনকে ভালবাসার এবং ভাললাগার অংগনে নিয়ে যায়। জীবনে পুলক অনুভব করে আনন্দ পায়
এবং অন্যকে সেই আনন্দ বিলিয়ে, নিজেকে পরিবারকে, সমাজকে সুখী ও কলষমুক্ত রাখে। সেই
জন্য সাহিত্য চর্চার মূল্য বা দান অপরিসীম।
সাহিত্য একটি শিল্প। শিল্পবোধ জাগার ফলে মানুষের জীবন
ছন্দময় হয়ে ওঠে। সাহিত্য সাধনায় সিদ্ধিলাভ করে মানুষ নব নব সৃষ্টির প্রেরণায়
উদ্বুদ্ধ হয়। তখন সে উপলব্ধি করতে পারে,
‘নাল্পে সুখনাস্তি’ – অল্পে সুখ নাই।
সাহিত্য চর্চা মানুষের নিত্যদিনের সংগী হোক ।
মহাখালী DOHS
COUNCIL এর উদ্যোগে এই সাহিত্য সভা আরো সুন্দর হোক।
সাহিত্য পাঠ করে জীবন আনন্দময় হোক - এই কামনা করি।
ধন্যবাদ।

No comments:
Post a Comment